• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

কুকুর কামড়ালে ছুটতে হয় নীলফামারী

Dogমানিক লাল দত্ত: নীলফামারীর কোন উপজেলায় কুকুর, বিড়াল, ইদুর বা অন্য কিছু কামড়ালে ভ্যাকসিন দেবার জন্য ছুটে যেতে হয় জেলা সদর হাসপাতালে। সেখানেও রোগীদের ভ্যাকসিন কিনে পুশ করতে হয়। যাওয়া আসা প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জন্য অনেক কষ্টদ্বায়ক তাই ভ্যাকসিনের বদলে কবিরাজের স্মরণাপন্ন হয়। এতে করে জলাতংকের ঝুকি থেকে যায়। প্রতিকারে প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে ভ্যাকসিন মজুদ রাখার দাবী জানিয়েছে সাধারণ মানুষ। জানা গেছে, নীলফামারী সদর ছাড়া বাকী ৫টি উপজেলা জলঢাকা, ডোমার, ডিমলা, কিশোরগঞ্জ, সৈয়দপুর হাসপাতালে ভ্যাকসিন নেই। কোন মানুষকে কুকুড়, বিড়াল, ইদুর, বাদুড়সহ বিভিন্ন পশুপাখি কামড়ালে রোগীরা ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য ছুটে যায় জেলা সদর হাসপাতালে। সেখানে ৪ জন মিলে একটি ভ্যাকসিন ৪৫০ টাকায় বাইরের ঔষধের দোকান থেকে কিনে এনে ৪ জনের শরীরে পুশ করে। এভাবে ৪টি ভ্যাকসিন রোগীর শরীরে দিতে হয়। কিন্তু যারা প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাস করে সদর হাসপাতাল থেকে আসা-যাওয়া মিলে ১০০ কিঃ মিঃ বেশি হওয়ায় তারা স্থানীয় কবিরাজের চিকিৎসা নেয়। এতে করে জলাতংকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঝুকি থেকে যায়। তাই সাধারণ মানুষেরা প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে ভ্যাকসিন রাখার দাবী জানান। জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা চরভরট এলাকার নুরুল ইসলাম জানান, ৫ দিন আগে আমাকে কুকুর কামড়িয়েছে। নীলফামারী এখান থেকে অনেকদূর। তাই কবিরাজের কাছে গিয়ে চিনিপড়া খেয়েছি। জলঢাকায় ভ্যাকসিন থাকলে দিতাম। ডিমলা বালাপাড়ার কলিম উদ্দিন একই ভাবে বলে নীলফামারী যেতে আসতে আমাদের দিন শেষ। তাই কবিরাজের কাছ থেকে বড়ি আনি খাচ্ছি। ডিমলা হাসপাতালে ভ্যাকসিন থাকলে দেওয়া যেত। আর বাইরে থেকে কিনলে ২৫০০টাকার মত লাগে। এত টাকা কই পাই। হাসপাতালে ভ্যাকসিন দিতে আসা সাথী জানান, কিশোরগঞ্জ থেকে এখানে এসেছি ৫টাকায় টিকিট কেটে ডাক্তারের পরামর্শে চারজন মিলে বাইরে থেকে ৪৫০ টাকায় ভ্যাকসিন কিনে দিচ্ছি। এভাবে চারটি ভ্যাকসিন দিতে হবে। যদি আমাদের হাসপাতালে এরকম ব্যবস্থা থাকত তাহলে এত কষ্ট করে এখানে আসতে হত না। এব্যাপারে নীলফামারী আবাসিক মেডিকেল অফিসার ফজলুুল হক তানসেন জানান, এখানে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে লোক আসে আমাদের কাছে ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য। ভ্যাকসিন না থাকার কারনে বাইরে থেকে কিনে আনতে হয় চারজন মিলে একটি ভ্যাকসিনে চারজনের শরীরে দেওয়া যায়। আসা করি সরকার প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে ফ্রি ভাবে ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ